মুকসুদপুর,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
মাসখানেক ধরে গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর পৌরশহরে রোগাক্রান্ত বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। এসব কুকুরের শরীরের বিভিন্নস্থানে ঘা সৃষ্টি হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন পৌরশহরের মানুষ ।
ক্রেতা-বিক্রেতাসহ পথচারীরা। প্রচন্ড দুর্গন্ধের কারণে অনেকেই নাক চেপে এসব কুকুরকে এড়িয়ে যাচ্ছেন। অনেক সময় রোগাক্রান্ত এসব কুকুর মানুষের বাসায়ও প্রবেশ করছে। পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক বেওয়ারিশ কুকুর রয়েছে। যার মধ্যে বেশ কিছু কুকুরের শরীরে ঘা সৃষ্টি হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াতে দেখা গেছে। পৌরশহরের প্রায় সবকয়টি অলি-গলি এবং সড়কে এ ধরনের রোগাক্রান্ত কুকুরের দেখা মিলছে। তবে এসব কুকুরের চিকিৎসায় কেউ কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না।
মুকসুদপুর পৌরশহরে শনিবার মার্কেটের অনেক দোকান বন্ধ থাকায় এখানে রোগাক্রান্ত কুকুরগুলো এসে বিশ্রাম নেয়। তবে এসব কুকুরের শরীরের বড় বড় ঘা থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে এসব কুকুরের পাশ দিয়ে
হাঁটা বা থাকা দুস্কর হয়ে পড়ে। এসব কুকুরের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
মুকসুদপুর সদর হাসপাতাল রোডের এক ডিম ব্যবসায়ী আনন্দ সাহা জানায় দোকানের সামনে দিয়ে রোগাক্রান্ত এসব কুকুর যাওয়ার সময় অনেক দুর্গন্ধ ছাড়ায়। অনেক সময় এই দুর্গন্ধে বমির উপক্রম হয়। দোকানের সামনে এইসব রোগাক্রান্ত কুকুর দাঁড়ালে আমরা সেগুলোকে তাড়িয়ে দিই। কারণ এই কুকুর দোকানের সামনে দাঁড়ালে ক্রেতারা দোকানে ঢুকতে চান না।
পৌরশহরের কামরুল নামে এক পথচারী জানান, বাজারে এসেছি কিছু কাজে। এসে কয়েকটি কুকুরের শরীরে বড় বড় ক্ষত দেখেছি। কুকুরগুলোর ওইসব ক্ষতস্থান থেকে ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। যার জন্য কুকুরগুলো পাশ দিয়ে গেলে বমি করে দেওয়ার পালা হয়। এসব কুকুরগুলোর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয় দরকার।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন বেওয়ারিশ কুকুরে নিধনের কোন কার্যক্রম আমাদের হাতে নেই তবে পৌরসভার কতৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।