Dhaka ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুকসুদপুরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করে ইউপি সদস্যকে ফাঁসানোর চেষ্টা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৯৩ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করে ইউপি সদস্য ইমরান হোসেন রাকিবকে ফাঁসিয়েছে বলে দাবী করেছেন এলাকাবাসী।

জানাগেছে মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড় ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার ইমরান হোসেন রাকিবকে “সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি ও জুয়ার আসরের মাধ্যমে পাছড়া গ্রাম তথা এলাকায় তার রাম রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন” বলে, মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৩ জানুয়ারি “আমর সংগ্রাম” নামে একটি অনলাইনে ভুল সংবাদ ছাপিয়ে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছে এলাকাবাসী।

প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত উজ্জ্বলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার সাথে কারও সাথে কোন কথা হয়নি, আমার সঙ্গে মেম্বারের এরকম কোন লেনদেন নাই। সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন ভাবে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ জানান, রাকিব মেম্বার সম্ভব যা লেখা হয়েছে তার একটা কথাও সঠিক নয়। কেউ শত্রুতা করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এ সংবাদটি প্রকাশ করেছেন।

তারা জানান, মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান ও বিগত নির্বাচনের রেশ ধরে ফেঁসে গেলেন রাকিব মেম্বার। মেম্বার হওয়ার পর থেকে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় এলাকায় মাদক কারবার অনেকাংশে কমে গেছে। সে কারণে মাদক ব্যবসায়ীরা তার বিরুদ্ধে জোট বেঁধেছে। ইতোপূর্বে আরো অনেকবার ফাঁসানোর চেষ্টা চালায়।

পাছড়া গ্রামের মোস্তফা বলেন, মেম্বার আমার থেকে কখনো টাকা নেয়নি। চাঁদা তোলা বিষয়টি বানোয়াট। রাকিব মেম্বার কারও সাথে খারাপ আচরণ করেছে এমনটা কখনো শুনি নাই।

ইউপি সদস্য রাকিব বলেন, আমার ওয়ার্ডে আমি দুইবার মেম্বার নির্বাচিত হয়েছি আমার বাবাও এ ওয়ার্ডে ৪ বার নির্বাচিত মেম্বর ছিলেন। আমি খারাপ লোক হলে সাধারণ জনগন আমাকে ভোট দিতোনা। কেউ আমাকে হেয় করতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল সংবাদ প্রকাশ করেছে। ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছি বলে বানোয়াট খবর ছাপানো হয়েছে। আমার এলাকায় একজন লোক বলতে পারবেনা যে আমি কারো কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা নিয়েছি। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি সেই সাথে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

গোপালগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল্লাহ আল মামুন

মুকসুদপুরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করে ইউপি সদস্যকে ফাঁসানোর চেষ্টা

Update Time : ১২:২০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করে ইউপি সদস্য ইমরান হোসেন রাকিবকে ফাঁসিয়েছে বলে দাবী করেছেন এলাকাবাসী।

জানাগেছে মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড় ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার ইমরান হোসেন রাকিবকে “সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি ও জুয়ার আসরের মাধ্যমে পাছড়া গ্রাম তথা এলাকায় তার রাম রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন” বলে, মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৩ জানুয়ারি “আমর সংগ্রাম” নামে একটি অনলাইনে ভুল সংবাদ ছাপিয়ে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছে এলাকাবাসী।

প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত উজ্জ্বলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার সাথে কারও সাথে কোন কথা হয়নি, আমার সঙ্গে মেম্বারের এরকম কোন লেনদেন নাই। সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন ভাবে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ জানান, রাকিব মেম্বার সম্ভব যা লেখা হয়েছে তার একটা কথাও সঠিক নয়। কেউ শত্রুতা করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এ সংবাদটি প্রকাশ করেছেন।

তারা জানান, মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান ও বিগত নির্বাচনের রেশ ধরে ফেঁসে গেলেন রাকিব মেম্বার। মেম্বার হওয়ার পর থেকে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় এলাকায় মাদক কারবার অনেকাংশে কমে গেছে। সে কারণে মাদক ব্যবসায়ীরা তার বিরুদ্ধে জোট বেঁধেছে। ইতোপূর্বে আরো অনেকবার ফাঁসানোর চেষ্টা চালায়।

পাছড়া গ্রামের মোস্তফা বলেন, মেম্বার আমার থেকে কখনো টাকা নেয়নি। চাঁদা তোলা বিষয়টি বানোয়াট। রাকিব মেম্বার কারও সাথে খারাপ আচরণ করেছে এমনটা কখনো শুনি নাই।

ইউপি সদস্য রাকিব বলেন, আমার ওয়ার্ডে আমি দুইবার মেম্বার নির্বাচিত হয়েছি আমার বাবাও এ ওয়ার্ডে ৪ বার নির্বাচিত মেম্বর ছিলেন। আমি খারাপ লোক হলে সাধারণ জনগন আমাকে ভোট দিতোনা। কেউ আমাকে হেয় করতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল সংবাদ প্রকাশ করেছে। ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছি বলে বানোয়াট খবর ছাপানো হয়েছে। আমার এলাকায় একজন লোক বলতে পারবেনা যে আমি কারো কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা নিয়েছি। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি সেই সাথে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।