Dhaka ০৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুকসুদপুরে সড়কের পাশের গাছ যেন মরণ ফাঁদ, ঝুঁকিতে ৩২টি পরিবার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ২১ Time View

oplus_0

মুকসুদপুর-গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বামনডাঙ্গা থেকে বাঘাদিয়া সড়কের পাশে লাগানো চাম্বল,রেইনট্রি গাছ গুলো এখন মরন ফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে। মৃত্যুর ঝুঁকিতে আছেন ৩২ টি পরিবার। রাস্তার পাশে লাগানো এসব গাছ ভেঙ্গে প্রায় ৫ বছর যাবৎ ঘটছে দুর্ঘটনা। সম্প্রতি ঝড়,বৃষ্টির কারণে আতঙ্কে রয়েছে রাস্তার পাশে বসবাসকারী ৩২ টি পরিবার সহ এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারীরা। গাছ গুলো অতিরিক্ত লম্বা হওয়ায় বাতাস ছাড়লেই ভেঙ্গে পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। জানাগেছে এলজিইডির নিয়ন্ত্রনাধীন বামনডাঙ্গা থেকে বাঘাদিয়া সড়কে ২০০৩ সালে একটি সমিতির মাধ্যমে রাস্তার দুপাশে লাগানো হয় কয়েক হাজার চাম্বল,রেইট্রি গাছ। দীর্ঘদিন পূর্বে লাগানো এসব গাছ বর্তমানে অতিরিক্ত লম্বা ও ঝড়ে মরে গেছে। সমিতি গাছ কাটার ব্যবস্থা না করায় ঝুঁকিপূর্ন ও মরণ ফাঁদ হয়েছে দাড়িয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অল্প বাতাসেই ভেঙ্গে পড়ছে এসব গাছ ও গাছের ডালপালা এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে ওই দুই গ্রামের ৩২টি পরিবার ও ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছেন যানবাহন ও পথচারীরা।

ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়ত করা অটো চালক করিম জানায় এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন আমরা চলাচল করি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। কয়েকদিন আগে ঝড়ে একটি গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়ে আমার উপর অল্পের জন্য বেঁচে যাই।

বামনডাঙ্গা গ্রামের রাস্তার পাশে বসবাসকারী জুলহাস শেখ নামের একজন জানায় আমার নতুন ঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়ে অল্পের জন্য আমার স্ত্রী ও মেয়ে রক্ষা পায়, ঝড়ে আমার ঘরের উপর গাছ পড়ে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গোহালা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন গাছগুলো এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকার কর্তৃক গাছ কর্তন সংক্রান্ত আইনী নীতিমালা করেছে তারা ব্যবস্থা নিলে আমরা সাহায্য করবো।

মুুকসুদপুর উপজেলা প্রকৌশলী বিএম মাহমুদুল হাসান বলেন গাছগুলো ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছ
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে আলোচনা হয়েছে যত দ্রæত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির বলেন ভুক্তভোগীরা আবেদন পেয়েছি উপজেলা বন কর্মকর্তা কে আবেদনটি পাঠানো হয়েছে তিনি সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মুকসুদপুরে আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত পরিবার

মুকসুদপুরে সড়কের পাশের গাছ যেন মরণ ফাঁদ, ঝুঁকিতে ৩২টি পরিবার

Update Time : ০৩:২০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

মুকসুদপুর-গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বামনডাঙ্গা থেকে বাঘাদিয়া সড়কের পাশে লাগানো চাম্বল,রেইনট্রি গাছ গুলো এখন মরন ফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে। মৃত্যুর ঝুঁকিতে আছেন ৩২ টি পরিবার। রাস্তার পাশে লাগানো এসব গাছ ভেঙ্গে প্রায় ৫ বছর যাবৎ ঘটছে দুর্ঘটনা। সম্প্রতি ঝড়,বৃষ্টির কারণে আতঙ্কে রয়েছে রাস্তার পাশে বসবাসকারী ৩২ টি পরিবার সহ এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারীরা। গাছ গুলো অতিরিক্ত লম্বা হওয়ায় বাতাস ছাড়লেই ভেঙ্গে পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। জানাগেছে এলজিইডির নিয়ন্ত্রনাধীন বামনডাঙ্গা থেকে বাঘাদিয়া সড়কে ২০০৩ সালে একটি সমিতির মাধ্যমে রাস্তার দুপাশে লাগানো হয় কয়েক হাজার চাম্বল,রেইট্রি গাছ। দীর্ঘদিন পূর্বে লাগানো এসব গাছ বর্তমানে অতিরিক্ত লম্বা ও ঝড়ে মরে গেছে। সমিতি গাছ কাটার ব্যবস্থা না করায় ঝুঁকিপূর্ন ও মরণ ফাঁদ হয়েছে দাড়িয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অল্প বাতাসেই ভেঙ্গে পড়ছে এসব গাছ ও গাছের ডালপালা এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে ওই দুই গ্রামের ৩২টি পরিবার ও ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছেন যানবাহন ও পথচারীরা।

ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়ত করা অটো চালক করিম জানায় এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন আমরা চলাচল করি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। কয়েকদিন আগে ঝড়ে একটি গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়ে আমার উপর অল্পের জন্য বেঁচে যাই।

বামনডাঙ্গা গ্রামের রাস্তার পাশে বসবাসকারী জুলহাস শেখ নামের একজন জানায় আমার নতুন ঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়ে অল্পের জন্য আমার স্ত্রী ও মেয়ে রক্ষা পায়, ঝড়ে আমার ঘরের উপর গাছ পড়ে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গোহালা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন গাছগুলো এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকার কর্তৃক গাছ কর্তন সংক্রান্ত আইনী নীতিমালা করেছে তারা ব্যবস্থা নিলে আমরা সাহায্য করবো।

মুুকসুদপুর উপজেলা প্রকৌশলী বিএম মাহমুদুল হাসান বলেন গাছগুলো ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছ
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে আলোচনা হয়েছে যত দ্রæত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির বলেন ভুক্তভোগীরা আবেদন পেয়েছি উপজেলা বন কর্মকর্তা কে আবেদনটি পাঠানো হয়েছে তিনি সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।