Dhaka ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুকসুদপুরে সাত মাস ধরে নেই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার
ইমরান মাতুব্বর

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সাত মাস ধরে নেই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, এতে উপজেলার শিক্ষা কার্যক্রম চরম ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সাত মাস আগে মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদে, শাহাদাৎ আলী মোল্লা নামে এক কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন। তিনি অবসরে যাওয়ার পর আর কোন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পোস্টিং হয়ে এখানে আসেননি। এক সপ্তাহ পরে কাশিয়ানী উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাফুজা বেগমকে অতিরিক্ত হিসেবে মুকসুদপুরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সাবের মিয়া জসিমউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র মন্ডল বলেন, সাত মাস ধরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকায় বিদ্যালয় গুলোর অফিসিয়াল কাজ থেকে শুরু করে, শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে নানান সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
কাশিয়ানী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হলেও দুই উপজেলার কাজ করতে তার সমস্যা সৃস্টি হচ্ছে। জরুরি কাজ, কাগজপত্র জমা দেওয়া, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার পরামর্শ নিতে হয়। শিক্ষার মান এগিয়ে নিতে জরুরি ভাবে নতুন শিক্ষা কর্মকর্তা জরুরি।

এ ব্যাপারে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, মুকসুদপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি শূন্য রয়েছে। এতে করে শিক্ষার কার্যক্রমে প্রভাব পড়বে। এর আগে যিনি ছিলেন তিনি গত সাত মাস আগে অবসরজনিত কারণে চলে গেছেন। আমরা এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যতদ্রুত সম্ভব মুকসুদপুরে নতুন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আসবেন।

গোপালগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমিন বলেন, মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার শূন্য পদে আপাতত কাশিয়ানী যিনি দায়িত্ব আছেন, তাকে অতিরিক্ত হিসাবে দেওয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশ প্রায় উপজেলাগুলোতে একই পরিস্থিতি, এ বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানেন। যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান হবে। তবে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষান ব্যবস্থা উন্নয়নের ক্ষেত্রে নানান জটিলতা হচ্ছে। তাই আমরাও চেষ্টা করছি মুকসুদপুর শিক্ষা কর্মকর্তার শূন্য পদে কর্মকর্তা দিতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মুকসুদপুরে সাত মাস ধরে নেই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

মুকসুদপুরে সাত মাস ধরে নেই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

Update Time : ০৩:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার
ইমরান মাতুব্বর

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সাত মাস ধরে নেই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, এতে উপজেলার শিক্ষা কার্যক্রম চরম ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সাত মাস আগে মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদে, শাহাদাৎ আলী মোল্লা নামে এক কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন। তিনি অবসরে যাওয়ার পর আর কোন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পোস্টিং হয়ে এখানে আসেননি। এক সপ্তাহ পরে কাশিয়ানী উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাফুজা বেগমকে অতিরিক্ত হিসেবে মুকসুদপুরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সাবের মিয়া জসিমউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র মন্ডল বলেন, সাত মাস ধরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকায় বিদ্যালয় গুলোর অফিসিয়াল কাজ থেকে শুরু করে, শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে নানান সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
কাশিয়ানী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হলেও দুই উপজেলার কাজ করতে তার সমস্যা সৃস্টি হচ্ছে। জরুরি কাজ, কাগজপত্র জমা দেওয়া, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার পরামর্শ নিতে হয়। শিক্ষার মান এগিয়ে নিতে জরুরি ভাবে নতুন শিক্ষা কর্মকর্তা জরুরি।

এ ব্যাপারে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, মুকসুদপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি শূন্য রয়েছে। এতে করে শিক্ষার কার্যক্রমে প্রভাব পড়বে। এর আগে যিনি ছিলেন তিনি গত সাত মাস আগে অবসরজনিত কারণে চলে গেছেন। আমরা এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যতদ্রুত সম্ভব মুকসুদপুরে নতুন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আসবেন।

গোপালগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমিন বলেন, মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার শূন্য পদে আপাতত কাশিয়ানী যিনি দায়িত্ব আছেন, তাকে অতিরিক্ত হিসাবে দেওয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশ প্রায় উপজেলাগুলোতে একই পরিস্থিতি, এ বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানেন। যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান হবে। তবে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষান ব্যবস্থা উন্নয়নের ক্ষেত্রে নানান জটিলতা হচ্ছে। তাই আমরাও চেষ্টা করছি মুকসুদপুর শিক্ষা কর্মকর্তার শূন্য পদে কর্মকর্তা দিতে।