Dhaka ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুকসুদপুরে আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত পরিবার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ১১ Time View

গোপালগঞ্জ কন্ঠ রিপোর্ট :

গোপালগঞ্জের মুমুকসুদপুরে আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত পরিবার
কসুদপুরে আদম ব্যবসায়ী ফরিদুলের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে একটি পরিবার। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,  উপজেলার লোহাচূরা গ্রামের রবিউল শেখের ছেলে রকিবুল বিদেশে গিয়ে চাকুরী করে ভালো ভাবে জীবন যাপন করার স্বপ্ন দেখেন। তাই একই গ্রামের ব্যাপারী পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে,  আদম ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলামের সাথে কথা হয় তার। পরে রকিবুল তার শশুর লিয়াকত হোসেন শেখের সাথে কথা বলে আদম ব্যবসায়ী ফরিদুলের মৌখিক ভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। ১৮ লক্ষ টাকার বিনিময়ে লিথুনিয়া দেশে নিয়া গিয়ে ভালো চাকুরি দেয়ার প্রস্তাবে রাজি হয়।

চুক্তি মোতাবেক গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর এজেন্ট ব্যাংকিং মাস গ্লোবাল সার্ভিস এন্ড কনসাল্টেন্সি এর একাউন্ট নং ২০৫০২০৬০১০০৪৭৩১১০, যাহার ট্রান্সফার আইডি ৭১২৪০৯১৯০০৯৩৬২ এমাউন্ট- তিন লক্ষ পঞ্চাশহাজার টাকা, ০৪ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা, যাহার ট্রান্সফার আইডি ৭১২৪১১০৪০০৮৩২১ তিন লক্ষ টাকা যাহার ট্রান্সফার আইডি এলআইডি ০১১০৯৬১৪৯০৪, এক লক্ষ টাকা এবং ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ সকালে লোহাচাূরা গ্রামের লিয়াকত হোসেন শেখের বাড়িতে বসে আদম ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম নগদ আরো এক লক্ষ পনের হাজার টাকা গ্রহণ করে। ফরিদুল ইসলাম রকিবুলের নিকট থেকে সর্বমোট পনের লক্ষ নব্বই হাজার টাকা গ্রহণ করে।

আদম ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম টাকা গ্রহণের পর থেকে বিদেশ পাঠানোর ব্যাপারে আজকাল করতে থাকে। একসময় বিদেশে পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ায় রকিবুলকে তার দেওয়া টাকা ফেরৎ দিতে চায়।

বর্তমানে ফরিদুল ইসলাম গ্রামের বাড়িতে না থাকায় মোবাইল ফোনে কল দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এদিকে পনের লক্ষ নব্বই হাজার টাকা দিয়ে বিদেশে যেতে না পেরে অসহায় জীবন যাবন করছে রকিবুল ও তার পরিবার।

আদম ব্যবসায়ী ফরিদুলের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে বলেন, আমার মাধ্যমে এজেন্সির নিকট ১৫ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা দিয়েছে এটা সঠিক। যে কোন কারণে বিদেশে পাঠাতে পারি নাই, তবে টাকা ফেরত দিয়ে দিবো। আমার এজেন্সি সময় নিছে টাকা দিয়ে দিবে।

মুকসুদপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মুকসুদপুরে আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত পরিবার

মুকসুদপুরে আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত পরিবার

Update Time : ০৫:৩১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

গোপালগঞ্জ কন্ঠ রিপোর্ট :

গোপালগঞ্জের মুমুকসুদপুরে আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত পরিবার
কসুদপুরে আদম ব্যবসায়ী ফরিদুলের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে একটি পরিবার। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,  উপজেলার লোহাচূরা গ্রামের রবিউল শেখের ছেলে রকিবুল বিদেশে গিয়ে চাকুরী করে ভালো ভাবে জীবন যাপন করার স্বপ্ন দেখেন। তাই একই গ্রামের ব্যাপারী পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে,  আদম ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলামের সাথে কথা হয় তার। পরে রকিবুল তার শশুর লিয়াকত হোসেন শেখের সাথে কথা বলে আদম ব্যবসায়ী ফরিদুলের মৌখিক ভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। ১৮ লক্ষ টাকার বিনিময়ে লিথুনিয়া দেশে নিয়া গিয়ে ভালো চাকুরি দেয়ার প্রস্তাবে রাজি হয়।

চুক্তি মোতাবেক গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর এজেন্ট ব্যাংকিং মাস গ্লোবাল সার্ভিস এন্ড কনসাল্টেন্সি এর একাউন্ট নং ২০৫০২০৬০১০০৪৭৩১১০, যাহার ট্রান্সফার আইডি ৭১২৪০৯১৯০০৯৩৬২ এমাউন্ট- তিন লক্ষ পঞ্চাশহাজার টাকা, ০৪ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা, যাহার ট্রান্সফার আইডি ৭১২৪১১০৪০০৮৩২১ তিন লক্ষ টাকা যাহার ট্রান্সফার আইডি এলআইডি ০১১০৯৬১৪৯০৪, এক লক্ষ টাকা এবং ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ সকালে লোহাচাূরা গ্রামের লিয়াকত হোসেন শেখের বাড়িতে বসে আদম ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম নগদ আরো এক লক্ষ পনের হাজার টাকা গ্রহণ করে। ফরিদুল ইসলাম রকিবুলের নিকট থেকে সর্বমোট পনের লক্ষ নব্বই হাজার টাকা গ্রহণ করে।

আদম ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম টাকা গ্রহণের পর থেকে বিদেশ পাঠানোর ব্যাপারে আজকাল করতে থাকে। একসময় বিদেশে পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ায় রকিবুলকে তার দেওয়া টাকা ফেরৎ দিতে চায়।

বর্তমানে ফরিদুল ইসলাম গ্রামের বাড়িতে না থাকায় মোবাইল ফোনে কল দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এদিকে পনের লক্ষ নব্বই হাজার টাকা দিয়ে বিদেশে যেতে না পেরে অসহায় জীবন যাবন করছে রকিবুল ও তার পরিবার।

আদম ব্যবসায়ী ফরিদুলের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে বলেন, আমার মাধ্যমে এজেন্সির নিকট ১৫ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা দিয়েছে এটা সঠিক। যে কোন কারণে বিদেশে পাঠাতে পারি নাই, তবে টাকা ফেরত দিয়ে দিবো। আমার এজেন্সি সময় নিছে টাকা দিয়ে দিবে।

মুকসুদপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।